Sun - Thu 9:00am - 4:00pm
info@bgvo.org
Visit Us

About Us

# Our Vision:
"Committed to achieving the UN Sustainable Development Goals (SDGs), to build a healthy, green, and self-reliant world through environmental conservation, climate resilience, maternal and child healthcare, and sustainable self-employment for marginalized and persons with special needs—inspiring a new generation to lead locally and globally."

সংগঠনের ভিশনঃ
"জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকে—পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা, গর্ভবতী মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টেকসই আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি সুস্থ, সবুজ ও স্বাবলম্বী বিশ্ব গড়ে তোলা; যা নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বদানে অনুপ্রাণিত করবে।"

# সংগঠনের মিশন (Mission):

Our Mission:
• Maternal & Child Health (SDG 3): Ensure essential healthcare, nutrition, and free medical support for pregnant mothers and newborns in underserved communities.
• Disaster Management & Climate Resilience (SDG 13): Build grassroots response systems for disaster risk reduction and rapid emergency relief.
• Green Entrepreneurship & Decent Work (SDG 8): Create sustainable self-employment for youth, women, vulnerable groups, and persons with special needs through green skills.
• Environmental Sustainability (SDG 12 & 15): Promote eco-friendly waste management, massive tree plantation, and sustainable living practices.
• Global Partnerships for Goals (SDG 17): Partner with national, international, and donor organizations to secure green financing and scale impact globally."

সংগঠনের মিশনঃ
১. মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা (SDG 3): প্রান্তিক অঞ্চলে গর্ভবতী মা ও শিশুদের পুষ্টি, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ও বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত সার্বজনীন স্বাস্থ্যের বিকাশ ঘটানো। ২. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু সহনশীলতা (SDG 13): দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জরুরি ত্রাণ সহায়তা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক সক্ষমতা তৈরি করা। ৩. সবুজ উদ্যোক্তা ও আত্মকর্মসংস্থান (SDG 8): তরুণ প্রজন্ম, নারী, দুস্থ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষকে গ্রীন এন্ট্রাপ্রেনারশিপ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টেকসই জীবিকায় সক্ষম করা। ৪. টেকসই পরিবেশ ও জলবায়ু পদক্ষেপ (SDG 12 & 15): ব্যাপক বৃক্ষরোপণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। ৫. বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও অর্থায়ন (SDG 17): দেশি-বিদেশি সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে স্থায়ী তহবিল গঠন করা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বিশ্বের সর্বত্র সম্প্রসারিত করা।"

# সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (Goals & Objectives):

বাংলাদেশ গ্রীন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন একটি টেকসই, সবুজ, দুর্যোগ-সহনশীল এবং সুস্থ সমাজ গঠনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (SDGs) অনুসরণে নিম্নোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করবে:

 সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা
(SDG 3: Good Health & Well-being)

১. গর্ভবতী মা ও শিশু স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং পুষ্টি নিশ্চিতকরণ:
• প্রান্তিক, উপকূলীয় ও দুস্থ এলাকার গর্ভবতী নারীদের জন্য প্রসব-পূর্ব (ANC) ও প্রসব-পরবর্তী (PNC) বিনামূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতকরণে সহায়তা করা।
• নবজাতক ও শিশুদের অপুষ্টি দূরীকরণে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য, ভিটামিন, ফলিক এসিড ও শিশু খাদ্য বিতরণ করা।

২. প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সর্বজনীন ফ্রি প্রাইমারি কেয়ার ও ডায়াগনস্টিক:
• দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে ছিন্নমূল, অসহায়, প্রবীণ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধী ও মানসিক ভারসাম্যহীন) মানুষের জন্য নিয়মিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং ও বিনামূল্যে মানসম্মত ওষুধ সরবরাহ করা।
• প্রাথমিক রোগ নির্ণয়ের জন্য বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা, ডায়াবেটিস ও জন্ডিস স্ক্রিনিং এবং ‘দৃষ্টির আলো’ প্রজেক্টের মাধ্যমে চোখের ছানি অপারেশন ও বিনামূল্যে চশমা বিতরণ করা।

৩. ডিজিটাল 'গ্রীন হেলথ কার্ড' ও সার্বক্ষণিক জরুরি হেলথ সাপোর্ট:
• প্রতিটি উপজেলার হতদরিদ্র ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরিবারের তালিকা তৈরি করে 'গ্রীন হেলথ কার্ড' প্রদান করা, যার মাধ্যমে বছরজুড়ে ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ সুবিধা নিশ্চিত হবে।
• প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য ২৪/৭ ফ্রি টেলিমেডিসিন সেবা প্রদান এবং আকস্মিক দুর্ঘটনা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা ও ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু রাখা।

৪. নারী স্বাস্থ্য, ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা ও মাদকবিরোধী সচেতনতা:
• কিশোরী ও নারীদের স্বাস্থ্য সুসুরক্ষায় বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ, জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও সচেতনতা তৈরি করা।
• তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখা।

 সবুজ উদ্যোক্তা ও টেকসই জীবনজীবিকা
(SDG 8: Decent Work & Economic Growth)
১. গ্রীন এন্ট্রাপ্রেনারশিপ ও টেকসই আত্মকর্মসংস্থান:
• নতুন প্রজন্ম, নারী, দুস্থ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের 'সবুজ উদ্যোক্তা' (Green Entrepreneur) হিসেবে গড়ে তুলতে কারিগরি ও ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ দেওয়া (যেমন: পাটজাত পণ্য, মাটির তৈজসপত্র, জৈব সার ও পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং তৈরি)।
• উদ্ভাবনী গ্রীন প্রজেক্ট বাস্তবায়নে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষুদ্র উদ্যোগে প্রারম্ভিক ফান্ডিং ও বাজারজাতকরণে সহায়তা করা, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।


২. টেকসই ও নগর কৃষি প্রচার (SDG 2: Zero Hunger):
• খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও পরিবেশের তাপমাত্রা হ্রাসে ছাদবাগান, হাইড্রোপনিক্স, পারমাকালচার এবং প্রান্তিক অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব জৈব চাষাবাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।

 জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষা
(SDG 13, 12 & 15)

১. দুর্যোগে দ্রুত সাড়াদান ও জলবায়ু সহনশীলতা:
• নদীভাঙন ও ঘূর্ণিঝড়প্রবণ উপকূলীয় অঞ্চলে স্থানীয় তরুণদের সমন্বয়ে ‘গ্রীন ভলান্টিয়ার রেসপন্স টিম’ গঠন ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা, যা দুর্যোগকালীন উদ্ধারকাজ, জরুরি খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিতে কাজ করবে।
• উপকূলীয় সুরক্ষা বাঁধ তৈরিতে সুন্দরবনসহ দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ব্যাপক হারে স্থানীয় প্রজাতি ও ম্যানগ্রোভ বনায়ন করা, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঢাল হিসেবে কাজ করবে ও কার্বন ক্রেডিট অর্জনে ভূমিকা রাখবে।

২. সার্কুলার ইকোনমি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (SDG 12: Responsible Consumption):
• পর্যটন কেন্দ্র (যেমন: কুয়াকাটা, কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন) এবং নদী- খাল-বিল থেকে প্লাস্টিক অপসারণ ও বর্জ্য আধুনিকীকরণে রিসাইক্লিং উদ্যোগ গ্রহণ করা।
• শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘গ্রীন ক্লাব’ গঠনের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি করা এবং ক্যাম্পাসের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে ‘জিরো ওয়েস্ট’ মডেলে রূপান্তর করা।

৩. বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ:
• বিপন্ন বন্যপ্রাণী ও পরিযায়ী (অতিথি) পাখির আবাস্থল রক্ষা, বন্যপ্রাণী পাচার রোধ এবং নদী ও সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান রক্ষায় জেলে ও স্থানীয়বাসীদের সচেতন করার মাধ্যমে ‘ব্লু ইকোনমি’ সমৃদ্ধ করা।

 বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও জলবায়ু কূটনীতি
(SDG 17: Partnerships for the Goals)

১. আন্তর্জাতিক সহায়তা ও গ্লোবাল নেটওয়ার্কিং:
• সরকারি-বেসরকারি খাত, দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থা এবং জাতিসংঘ স্বীকৃত বিভিন্ন ফান্ডিং এজেন্সির সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্ব (Strategic Partnership) গড়ে তোলা।
• বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলন (যেমন: COP) এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের তরুণদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশের অনুকূলে জলবায়ু ফান্ডিং ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের দাবি তুলে ধরা।